করোনাকালে কঠিন সময় পার করছেন সল্প আয়ের কলাকুশলী-শিল্পীরা

omair34
  • আপডেট টাইম : জুন ০৭ ২০২০, ১১:৩৯
  • 1089 বার পঠিত
করোনাকালে কঠিন সময় পার করছেন সল্প আয়ের কলাকুশলী-শিল্পীরা
মতিউর মুন্নাঃ
করোনা পরিস্থিতিতে যতো দিন যাচ্ছে ততোই করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে সারা বিশ্ব সহ আমাদের বাংলাদেশে
এমন পরিস্থিতিতে আগের মতো স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছেন না মানুষজন। চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন মিডিয়ার কলাকুশলী ও শিল্পীরাও স্বাভাবিক ভাবে কাজ না করতে পারায় জীবনের কঠিন সময় পার করতে হচ্ছে তাদের।
এমনি একজন টেলিভিশনে ক্যারিয়ার শুরু করা একজন অভিনেতা আক্তার হোসেন হৃদয়ের সাথে কথা হলে তিনি বলেন- “আমি ইন্ডাস্ট্রি তে এসেছি ২০১৮ এর শেষের দিকে নতুন মানুষ তেমন কাউকে চিনতাম না, তারপর ডিরেক্টর সাজাদ হাসান বাবলু ভাই এর হাত ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখলাম, ওনার ‘সেলাই দিদি’ নাটকে ছোট চরিত্রে অভিনয়ের করলাম এর পর পর ‘পোস্টার ৭১’, সরব প্রতিবাদ’, আর কিছু নাটকে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয় করলাম, এরপর বেলাল সানি ভাইয়ের ‘ডেঞ্জার জুন’ মুভিতে সামান্য একটা শর্ট ছিলো এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছিলাম আমি।
এর পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রী পড়াতাম, ভালোই চলে যেতো।
সিলেট সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারা বাজার থানার লক্ষিপুর ইউনিয়ন ফতেপুর গ্রামে আমার জন্ম। আমার বাবা একজন গরিব মুক্তিযোদ্ধা, সংসারে ৭ ভাইবোন; আমার বড় চার বোনকে বাবা কষ্ট করে বিয়ে দিয়েছেন, ছোট বোন বি এ পড়ছেন, ছোট ভাই এসএসসি পরিক্ষা দিয়েছেন। আমার মা মানসিক রোগে অসুস্থ, বাবা হার্টের রোগী। সংসারের বড় ছেলে হওয়াতে সংসারের সব দায়িত্ব পালন করতে হয় আমাকে। অনেক স্বপ্ন আশা নিয়ে এ শহরে আশা, মিডিয়া জগতে প্রবেশ করা, মোটামোটি ভালোই এগিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু এই করোনা পরিস্থিতি এসে সব কিছু যেনো তচনচ করে দিয়েছে, শুটিং বন্ধ! যাও গুটি কয়েক শুটিং হয় তাও মেজর ক্যারেকটারদের নিয়ে করা হয়। আমাদের মতো উঠতি আর্টিস্টদের কথা কেউ ভাবছেন না। কাজকর্ম না থাকায় খুব সমস্যায় দিন পার করতে হচ্ছে। আমার অনেক সমস্যা চলছে দুইমাস ধরে- ঘর ভাড়া, দোকান বাকি, বাসায় বাজার করা। কি যে করি? যদি আমাদের মতো উঠতি আর্টিস্টদের কাজের কোনো ব্যাবস্থা হতো তাহলে অন্তত দিনে বেলা দু’মুঠো ভাত জুটতো, খুব উপকার হতো।”
আক্তার হোসেন হৃদয়ের সাথে কথা হলে তিনি তার বর্তমান পরিস্থিতি এভাবেই বর্ননা করেন।
Please follow and like us:
এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

বিজ্ঞাপন